#৪ - জাতীয় সঙ্গীত, জিষ্ণুর অন্তর্ধান ও আম-কাসুন্দি
OBS-এ চাকরি করে যাচ্ছিলাম মন দিয়েই। বাধ সাধলো কোনও অজ্ঞাত কারণে ভয়ানক রকমের চিন্তিত এক মা। সে কীভাবে যেন আমার ফোনের নম্বর জোগাড় করে ক্রমাগত আমাকে ফোন করে আমাদের কর্ণধারের নম্বর চাইতে থাকে। সে নাকি কেবল ওনার থেকেই সকল বই ও তাদের বিভিন্ন এডিশন সম্বন্ধে জানতে চায়। আমিও নানান আছিলায় কথা ঘোরাতে থাকি, কারণ এ কথা জলের মতো পরিস্কার হয়ে যায় যে তার মূল উপলক্ষ বই নয় মোটেও, সে আসলে যেনতেনপ্রকারেণ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে ভাব জমাতে চায়। এরকমই এক দিন মহিলা ফোন করে কান ঝালাপালা করে দিচ্ছে; আমি ফোন কানে নিয়ে আপিসময় হেঁটে বেড়াতে বেড়াতে এই মহিলা কে বিরত করার নতুন ফন্দী-ফিকির আঁটছি, আর আমাদের আপিসের হেড সোনালি দি ওনার ঘরের মধ্যে থেকে আমার দিকে সন্দিহান দৃষ্টি হানছেন মাঝেমাঝে, এমন সময় দেখি কিনা আপিসের ভিতরে-বাইরে বেজায় ভিড় জড় হয়ে গেছে। থকথকে ভিড়। তিল ধারণের জায়গা নেই বল্লেও কম বলা হয়; মাইক্রোস্কোপের তলায় মাছি মারতে থাকা এমনি চোখে ধরা দেবে না এমন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবাণুও ওই ভিড়ের মধ্যে প্রবেশ করার আগে অনেকবার ডন-বৈঠক দিতে দিতে ভাল-মন্দ বিচার কর...